রবীন্দ্রনাথের নগর ও স্থাপত্য ভাবনা: প্রেক্ষিত জাপান ভ্রমণ ও যাত্রাপথ

dc.contributor.authorরনি, রাকিবুল হক
dc.contributor.authorমাহমুদ, মো. আকতার
dc.date.accessioned2025-07-04T06:43:39Z
dc.date.available2026-07-07T10:11:13Z
dc.date.issued2024-12
dc.description.abstractরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৬ সালে তোসামারু জাহাজে চড়ে যাচ্ছেন জাপানে, জাহাজে চড়ে। জাহাজ পথে থেমেছে বেশকিছু বন্দরে, ভিন্ন ভিন্ন শহরে। সেসব শহর পর্যবেক্ষণ করে শহর কিংবা বন্দরের গঠন ও স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য তিনি লিখে রেখেছেন তাঁর ডায়রিতে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নগর ও স্থাপত্য ভাবনার সাথে নগর পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি ও অন্যান্য বিশেষজ্ঞদের ভাবনার একটি তুলনামূলক চিত্র দাঁড় করানোর চেষ্টা করা হয়েছে এই প্রবন্ধে। জোনিং, অপরিকল্পিত উন্নয়ন ও নগরায়ন, ইন্টেরিয়র ডিজাইন, ন্যাচার এন্ড ল্যান্ডস্কেপ, কনজারভেশন এন্ড প্রিজারভেশনের মত স্থাপত্য ও নগর পরিকল্পনার বিভিন্ন আস্পেক্ট খুঁজে পাওয়া গেছে রবি ঠাকুরের জাপানযাত্রী ভ্রমণকাহিনীতে। আমাদের দেশে প্রচলিত প্ল্যানিং প্রসেসে ইআইএ (পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন) ও পপুলেশন প্রজেকশন নামে দুটি এসেসমেন্ট টুল ব্যবহার করা হয়। কিন্তু তিক্ত সত্য এই যে, আমাদের দেশে ইআইএ কেবলই একটি নামমাত্র ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। পরিবেশগত প্রভাব মূল্যায়ন রিপোর্টের কারণে মূল প্ল্যানের পরিমার্জন হতে খুব একটা আমরা দেখি না। অর্থাৎ অর্থনীতির কাছে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার শপথ হেরে যায় বারবার। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে বাস্তুসংস্থানের উপর এবং যথারীতি মানুষের জীবনের উপর। আর অন্যদিকে পপুলেশন প্রজেকশন বেশিরভাগ সময়ই মাইগ্রেশনের বিভিন্ন ফ্যাক্টরের কারণে ও পুরনো ডাটা ব্যবহারের কারণে যথার্থ হয় না। কাজেই এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ টুল কার্যত ব্যর্থ। ফলে পরিকল্পনা কিংবা উন্নয়ন কোনোটাই হিউম্যান স্কেলে তো হয়ই না, হয় না টেকসইও। মানুষের ক্রমপরিবর্তনশীল জীবনাচরণের ছবি ধরা পড়ে সাহিত্যে। সেটাই স্বাভাবিক, কেননা সাহিত্য কেবল সাহিত্যিকের কল্পনাই নয়, বরং সাহিত্য হলো বাস্তবতার প্রতিচ্ছবি। আমাদের সামনে যে বিশাল ডাটা সোর্স (বাংলা সাহিত্য) অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে, তা থেকে কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চল কিংবা শহরের মানুষের জীবনাচরণ পরিবর্তনের ধারাটি খুঁজে বের করা অসম্ভব নয়। আর তা সম্ভব হলে, ওই অঞ্চলটিতে বসবাসরত মানুষের জীবনাচরণ পরিবর্তনের ভবিষ্যৎ ধরন সম্বন্ধে ধারণা করাও সম্ভব হবে। আর সেই ধারণা স্থাপত্য ও নগর পরিকল্পনায় ব্যবহৃত হলে আমরা অনেক বেশি সাস্টেইনেবল সিটি (টেকসই শহর) পাবো, উন্নয়ন হবে হিউম্যান স্কেলে। স্থাপত্য ও নগরপরিকল্পনা পেশার সাথে যুক্ত ব্যক্তিদেরই কেবল স্থাপত্য ও শহর নিয়ে ভাবনা আছে, এমন তো নয়। শহরের সকল বাসিন্দা, একটি স্থাপনার বাসিন্দা, তা তারা যে ইনকাম লেভেলেরই হোন না কেনো, সকলেরই এই বিষয়ে ভাবনা রয়েছে। তাদের সেই ভাবনাকে অধিকতর গুরুত্বের সাথে বিবেচনার প্রয়াস থেকেই সাহিত্যের দ্বারস্থ হওয়া। জাপানযাত্রী এই কাজটির জন্য খুবই উপযুক্ত।
dc.identifier.citationরনি, র. হ., & মাহমুদ, আ. (2024, December). রবীন্দ্রনাথের নগর ও স্থাপত্য ভাবনা: প্রেক্ষিত জাপান ভ্রমণ ও যাত্রাপথ. লেখনী: ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক জার্নাল, 2. বাংলা বিভাগ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি।
dc.identifier.otherhttp://dspace.uttarauniversity.edu.bd:8080/server/api/core/items/6d5ce665-5166-4922-b3fe-ec154cfda408
dc.identifier.urihttp://dspace.uttarauniversity.edu.bd:4000/handle/123456789/904
dc.language.isoother
dc.publisherবাংলা বিভাগ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি
dc.sourceUttara University Institutional Repository
dc.subjectসাহিত্য
dc.subjectস্থাপত্য
dc.subjectনগর পরিকল্পনা
dc.subjectরবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
dc.subjectজাপান
dc.titleরবীন্দ্রনাথের নগর ও স্থাপত্য ভাবনা: প্রেক্ষিত জাপান ভ্রমণ ও যাত্রাপথ
dc.typeArticle

Files

Original bundle

Now showing 1 - 1 of 1
Thumbnail Image
Name:
রবীন্দ্রনাথের নগর ও স্থাপত্য ভাবনা প্রেক্ষিত জাপান ভ্রমণ ও যাত্রাপথ.pdf
Size:
255.67 KB
Format:
Adobe Portable Document Format

Collections